জীবন ও সম্পর্ক
- সোহরাব হোসেন - ষোড়শী কাব্যমালা

ছিন্নবাসী দ্বীপের মতন দিন বেড়ে যায়,
সঙ্গীহীন সময়ের তিক্ত নিঝুম অধ্যায়।
রূপে অঙ্গ সুশোভিত ওই অটল পাহাড়—
সম্পর্কের অনন্য আধার, জুড়ি মিলা ভার!
নির্জন গোপন বিরহের জমে থাকা কান্না
ঝিরিঝিরি নীরব বার্তায় ঝরে হয় ঝর্না,
ঝিরি হয় কলকল ছড়া, ছড়া হয় নদী
স্রোতস্বিনী সমুদ্র যাত্রায় বয় নিরবধি।
বন্ধুবর সমুদ্দুর করে ব্যগ্র কলতান—
একাকীত্বে দিন যাপনের মৌন অভিমান।

বন্ধুতার সেতু গড়ো তাই শুদ্ধাচারী স্রোতে,
মিছেমিছি সাধিও না বাঁধ বহতা নদীতে!
গড়ো না আর ছিটমহল—অনীহা দেয়াল,
পুষ্পপুটে বিকশিত হোক সম্পর্ক রসাল।
দুঃখ-সুখে মায়াজাল বুনে—শতধা সুন্দরী,
উপভোগ্য হোক এ জীবন সম্পর্ক আচরি।

২১ নভেম্বর, ২০১৭ খ্রি.
পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 1টি মন্তব্য এসেছে।

২৬-১১-২০১৭ ০৮:৫৭ মিঃ

যথার্থ ষোড়শী কবিতা!

১০ পদ + ৬ পদ = ১৬ পদ প্রতিটি চরণে

এভাবেই ১০ চরণ + ৬ চরণ = সর্বমোট ১৬ চরেণর (লাইন) কবিতা

প্রথম ১০ চরণে উপস্থাপনা, শেষ ৬ চরণে নিবেদন, এভাবেই হলো এই ষোড়শীর স্থাপত্য নকশা